সংগীত ও বহমান পরম্পরা
বাংলার লোকসংগীত, বাউল, মরমি, আধ্যাত্মিক ও আঞ্চলিক সংগীতধারার অনুসন্ধান ও নথিকরণ।
আমাদের কাজের কেন্দ্রে থাকা বারোটি ধারা—এবং পথচলতি আরও অনেক কিছু।
বাংলার লোকসংগীত, বাউল, মরমি, আধ্যাত্মিক ও আঞ্চলিক সংগীতধারার অনুসন্ধান ও নথিকরণ।
লোককথা, পুরাণ, কিংবদন্তি, পালাগান, প্রবাদ, ধাঁধা ও মৌখিক ইতিহাসের সংগ্রহ ও নথিকরণ।
একতারা, দোতারা, সেটারা, গোপীযন্ত্র, খমক ও সারিন্দা—বস্তু হিসেবে নয়, কারিগরি জ্ঞানের ধারক হিসেবে।
স্থানীয় কাঠের প্রজাতি, নির্বাচন, খোদাই, জোড় ও অলংকরণ—কাঠকে ঘিরে গড়ে ওঠা কারিগরি জ্ঞান।
পিঁড়ি, জলচৌকি, পালঙ্ক, সিন্দুক ও তাক—নকশা, উপকরণ, নির্মাণকৌশল ও তাতে ধরে রাখা স্মৃতি।
একজন কারিগর কীভাবে উপকরণ দেখেন, নির্বাচন করেন ও রূপ দেন—তৈরির প্রক্রিয়াটিও ঐতিহ্যের অংশ।
কাঠ, বাঁশ, লাউ, মাটি, চামড়া ও তন্তু—একটি বস্তুর গল্প শুরু হয় তার উৎস গাছ, মাটি বা ভূপ্রকৃতি থেকে।
লোককথা, পুঁথি, বচন ও প্রবাদ—লিখিত নথির পাশাপাশি মৌখিক ইতিহাসও মূল্যবান তথ্যসূত্র।
কোনো ঐতিহ্য তার ভূগোল থেকে বিচ্ছিন্ন নয়—নদী, মাটি, বন ও জনপদ তাকে গড়ে তোলে।
ছবি, অডিও, ভিডিও, সাক্ষাৎকার ও পরিমাপ—একটি বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক নথিভাণ্ডার।
একক ব্যাখ্যায় আবদ্ধ না রেখে প্রতিটি ঐতিহ্যকে তার নিজস্ব ভাষা ও চর্চার মধ্য দিয়ে বোঝা।
ঐতিহ্য কখনো স্থির নয়। হারিয়ে যাওয়া নয় শুধু, কীভাবে তা নতুন রূপে প্রকাশিত হয় তাও আমরা দেখি।